[পূর্ব প্রকাশের পর]
কথা ছিলো থানচির তিন্দুতে আজকের রাত থাকবো। জঙ্গলে ঢাকা রিজ পার হয়ে খনরুই প্রায় ৯০ ডিগ্রি এক খাঁড়া ঢালে নামতে উদ্যত হলো।

এমন সময় মাথায় এলো কাঞ্চন বা পারাও পাড়ার কথা। নীচেই পারাও পাড়া। সেখানে থেকে টোয়াইন খাল ধরে দুস্রি বাজারে গেলে কেমন হয়। যেমন ভাবা তেমন কাজ। আর দেরি করলাম না। সাথে আর কোনো পানি নেই। প্রায় তেত্রিশ চৌত্রিশ ডিগ্রি তাপমাত্রায় পথ চলাই দায়। এবার আমরা সেই বৃক্ষ নিধনের স্থানে এলাম। খনরুই গেলো কাঠুরেদের কাছ থেকে পানির খোঁজে।





কিছু জায়গায় কুম পার হতে গিয়ে পাশের খাঁড়া ঝুকিপূর্ণ পাহাড়ি পথে উঠতে হচ্ছে। একে সারাদিনের ক্লান্ত পায়ে পিছলে পানিতে পড়ার ভয় তার উপর আবার টুপ করে সন্ধ্যা নেমে এলো। এমন করে দুস্রি বাজারে পৌঁছালাম তখন আটটা বাজে। ছোট্ট পাহাড়ি বাজার পাততাড়ি গুটিয়েছে প্রায়। দু’একটি দোকান খোলা। দেখা পেলাম বাঙালি এক বৃদ্ধের। তিনি শুধু খাওয়ার ব্যবস্থাই না, থাকারও ব্যবস্থা করলেন তার দোকানে।
তারপর আর কি, এক ঘুমে রাত কাবার। পরের দিনের ঘটনা বলতে নৌকায় আলি কদম পৌঁছানোর পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় দুস্রি জিরি ধরে মেনকিউ পাড়া হয়ে আবার ১৩ মাইল যাওয়া। মাত্র দু’দিনের ট্রেক। কিন্তু তাতেই কি ধকল গেলো। তবে শেষ মেষ ১৩ মাইলে লাংরিং দার দোকানে মিষ্টি পাহাড়ি পেপে শেষ ভালো যার সব ভালো তার প্রমাণ রাখলো।
বাংলাদেশ সময়: ০০৪৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ২৫, ২০১৬
এএ