ক্রিকেট
এক সময় শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের মাঠজুড়ে ছিল তার বিচরণ। এই স্টেডিয়ামে অনেক স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি তোলা হয়েছে তার ক্যামেরা। সবকিছু
শ্রীলঙ্কা সফরে খেলার সময় কুঁচকির চোটে পড়েন কেইন উইলিয়ামসন। যা তাকে বেশ ভালোভাবেই ভোগাচ্ছে। যে কারণে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের
‘ইশ! যদি স্লিপটা থাকতো’ অথবা ‘যদি ক্যাচটা ধরতে পারতেন’ ঘটনাবহুল প্রথম দিনের পর দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ছিল এমন উশখুশ। প্রথম
প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনের সকালটাও হতাশায় কেটেছে বাংলাদেশের। যদিও আগের দিন তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিং আশা জাগিয়েছিল বেশ।
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের সিনিয়র ফটো করেসপন্ডেন্ট শোয়েব মিথুনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সোমবার এক
প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ, কিন্তু পরের তিন ম্যাচ হেরে নারী বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়
মিরপুরে স্বভাবতই থাকে স্পিনারদের দাপট। মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের টেস্টেও ছিল তেমন প্রত্যাশিতই। কিন্তু টস জিতে
নিজের কাজ তিনি করে যান অনেকটা নিরবে, নিভৃতে। তাইজুল ইসলাম প্রাদপ্রদীপের আলোয় আসতে পারেননি কখনোই। সবসময় থেকেছেন ছায়ার নিচের তারকা
তাইজুল ইসলামের সঙ্গে সাকিব আল হাসানের নামটা যেন জুড়ে আছে পুরোপুরিভাবে। সাকিব যখন খেলেছেন তখন, অথবা তিনি যখন
শেষ বিকেলে আলোক স্বল্পতায় বন্ধ হয়ে গেল খেলা। কিন্তু পুরো দিনই যেন অন্ধকারে ছিলেন ব্যাটাররা। বাংলাদেশের ব্যাটাররা একটু বেশি,
মিরপুরে ব্যাটারদের ব্যর্থতার পর বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জবাব দিয়ে যাচ্ছেন তাইজুল ইসলাম। শুরুটা করেন হাসান মাহমুদ। এরপর বাকি
ব্যাটিং ব্যর্থতার প্রথম সেশনের ধারাবাহিকতা থাকলো দ্বিতীয়টিতেও। অল্পতেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর বোলিংয়ে দ্রুত উইকেট পেলেও
ভারত সফরের ব্যর্থতা ভুলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও তাদের শুরুটা হলো
জাকের আলি মাঠে নেমেই পড়েছিলেন। অনেক্ষণ ধরে প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ভেতরে ঢোকার পরই জানতে পারেন, মধ্যাহ্নভোজের বিরতি
শুরুটা করেছিলেন উইয়ান মুল্ডার। দক্ষিণ আফ্রিকার এই পেসার বাংলাদেশের টপ অর্ডারে তিনবার আঘাত হানেন। এরপর তার সঙ্গে যোগ দেন কাগিসো
ইনিংসের তৃতীয় ওভারের প্রথম বল। উইয়ান মুল্ডারের বল গিয়ে লাগে মুমিনুল হকের পায়ে। জোরালো আবেদন আসে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে।
মিরপুরের 'স্পিন ফাঁদ'র কথা মাথায় রেখে দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু প্রথম দিনের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকা সাফল্য পেল পেস বোলিংয়েই।
শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের সামনের পুরো রাস্তায়ই বন্ধ। জনসাধারণ তো দূর, খেলা সংশ্লিষ্ট ও অ্যাক্রিডেটেশন সঙ্গে নিয়েও কয়েক ধাপের
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৬ রান দরকার ছিল আফগানিস্তান ‘এ’ দলের। আবু হায়দার রনির প্রথম বলেই ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন সাদিকুল্লাহ
‘চোকার্স’— আপনার হয়তো বুঝতে বাকি নেই শব্দটি কোন দলের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি খাটে৷ হ্যাঁ, আরও বৈশ্বিক মঞ্চে হৃদয় ভাঙার গল্প লিখেছে
পুরোনো সংবাদ গুলো দেখতে এখানে ক্লিক করুন